Posts

রাখীবন্ধন: নারী সুরক্ষাপ্রার্থিনী শুধু নয়, সুরক্ষাদায়িনী

শ্রাবণ ভাদ্র মাসে রাখীপূর্ণিমার রাতটি মায়াময়। ঘনমেঘের আড়াল থেকে পূর্ণিমার চাঁদ জলভরা আকাশের গায়ে এঁকে দেয় সপ্তবর্ণা গোলাকৃতি রঙ্গোলি। চাঁদকে দেখায় আঁধার আকাশকে আলোয় ভাসিয়ে দেওয়ার শপথের রাখীর মত! এমন দিনটিকেই ভারতবর্ষ উদযাপন করে রাখীবন্ধন বা রক্ষাবন্ধন হিসেবে। বলা হয় এই দিনে বোনেরা ভাইয়েদের হাতে রাখী বাঁধে ভাইয়ের কাছ থেকে নিরাপত্তা প্রার্থনা করে। সত্যিই কি রাখীবন্ধন মানে কেবলমাত্র ভ্রাতার কাছ থেকে ভগিনীর নিরাপত্তা প্রার্থনার উদযাপন? তাহলে ‘শাপমোচন’ গীতিনাট্যে রবীন্দ্রনাথের সেই প্রেমের গানটি? যে গানে স্বামী স্ত্রী’কে বলছে ‘বাঁধিনু যে রাখী পরাণে তোমার, সে রাখী খুলো না’? অর্থাৎ রাখীবন্ধনের ব্যঞ্জনা আদতে গভীরতর।‌ রাখী যে কেউ বাঁধতে পারে, অন্য যে কাউকে। আর সে বন্ধনের শপথ হতে পারে স্নেহের, আত্মীয়তার, প্রেমের, বন্ধুতার বা অন্য যে কোনো প্রকার পারস্পরিক সুরক্ষার। এমনই এক পুণ্য দিনে উত্তর আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হল “ওয়ান ওয়ার্ল্ড ওয়ান হিউম্যানিটি” শীর্ষক এক সর্বধর্ম সম্মেলন যে সম্মেলনে ভারতবর্ষের রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক শ্রী মোহ...

পাখণ্ডী? না পাষণ্ড?

হাওড়ার পাঁচলার সভায় যে বক্তব্য রেখেছিলেন বাগেশ্বর ধাম বাবা, তার স্পষ্টীকরণ তিনি দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো’য় অনুষ্ঠিত ‘সনাতন সঙ্গম’ নামক এক সভা থেকে। অনুভূতিবিদ্ধ সাধারণ বাঙালী মানুষের প্রতিক্রিয়াকে সম্বোধন করার মাধ্যমে আচার্য্য ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী মহারাজ বুঝিয়েছেন যে তাঁর বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার আদত কারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ। অথচ হাওড়ায় তাঁর বক্তব্য শুনে ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় নি যে তিনি ভুল কিছু বলছেন। হনুমান’জী’র এক পরম ভক্ত নিরামিষ ভোজনের কথা প্রচার করবেন এ-ই তো স্বাভাবিক! তাতে ভুল কি ছিল তা বুঝি নি, ফলে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাবাজী’র কথার বিরুদ্ধে যে ঝড় উঠেছিল তাকেও নিরর্থকই মনে হয়েছিল। তবে কিনা বঙ্গদেশ শাক্তমতের অনুসারী। মহিষাসুরমর্দিনীর মূর্তির পূজা বঙ্গদেশে চলে আসছে দশম শতাব্দীরও পূর্ব কাল থেকে এমনই মনে করেন পণ্ডিতেরা। অধ্যাপক অশোকনাথ শাস্ত্রীর মতে বাংলাদেশে প্রতিমায় দুর্গাপূজা অন্ততঃ এক সহস্র বৎসরের অধিক প্রাচীন। আবার সেই সঙ্গে এ-ও সত্য যে শাক্ত পূজার নামে নবাবী আমলে বঙ্গদেশে শুরু হয়েছিল চরম অনাচারও যা ঠেকাতে পঞ্চদশ শতাব্দীতে বঙ্গভূমিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন নিমাই পণ...

যা অন্ধ নয় তা ভক্তি নয়, অন্ধভক্ত বলে কিছু হয় না

Image
'সা বিদ্যা য়া বিমুক্তয়ে'। ‘মুক্তি’ বলতে ভারতবর্ষ কি বোঝায় পাশ্চাত্যের ভাবধারা দিয়ে তা উপলব্ধি করা কি সম্ভব? রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “য়ুরোপে স্বাধীনতাকে যে স্থান দেয় আমরা মুক্তিকে সেই স্থান দিই। আত্মার স্বাধীনতা ছাড়া অন্য স্বাধীনতার মাহাত্ম্য আমরা মানি না। রিপুর বন্ধনই প্রধান বন্ধন—তাহা ছেদন করিতে পারিলে রাজা-মহারাজার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ পদ লাভ করি”। এ কথার অর্থ সম্যক উপলব্ধি করতে ঋষি অরবিন্দের রচনাসমূহ পাঠ করা আবশ্যক। ‘বিমুক্তয়ে’— একটি আধ্যাত্মিক ধারণা। সে সম্বন্ধে সামান্য এক পংক্তি এ লেখার মধ্যেই রইল পরে। ‘বিদ্যা’ শব্দের অর্থই বা কি? ‘বিদ্’ ধাতুর অর্থ কতপ্রকার হতে পারে সংস্কৃত শিক্ষা ব্যতীত তা উপলব্ধি করা কি সম্ভব? ফলে প্রাচীনকালের বক্তব্য ও নীতিবোধ ঠিক কেমন ছিল এবং বর্তমান ভারতবর্ষে তা প্রযোজ্য কি না, ভারত বিদ্যার অধ্যয়ন ও ভারত ভাষার সম্যক জ্ঞান ব্যতীত তা অনুধাবন করা প্রায় অসম্ভব। আজকের ভাষা দিয়ে প্রাচীনকালের বক্তব্যকে অনুবাদ করে তাকে পূর্ণ সত্য ধরে নেওয়াও নিরর্থক। তাই প্রাচীনকালের বক্তব্য ও নীতিবোধ নিয়ে বক্তব্য রাখার প্রয়াস হঠকারী ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে। উপরে প্রদত্ত ছবি...

প্রতিবাদের গল্প: সোনম ওয়াংচুকের কাহিনী

সোনম ওয়াংচুক আদতে কে? জম্মু কাশ্মীর রাজ্যের বিখ্যাত রাজনীতিবিদ্, (দল হিসেবে প্রথমে আবদুল্লাহ্’দের ন্যাশনাল কনফারেন্স, পরে কংগ্রেস) বিধায়ক এবং ১৯৭৫ সাল থেকে উক্ত রাজ্যের বিশিষ্ট কংগ্রেসী মন্ত্রী সোনম ওয়াঙ্গিয়ালের পুত্র সোনম ওয়াংচুক হলেন শিক্ষায় প্রযুক্তিবিদ ও পেশায় অ্যাক্টিভিস্ট। অনেকে দাবী করেছিলেন তিনি বিজ্ঞানী, কিন্তু বাস্তবে তাঁর শিক্ষা বিজ্ঞানের প্রায়োগিক ক্ষেত্র সংক্রান্ত। উপরন্তু, বহু বছর ধরে বিভিন্ন ইস্যুতে অনশন আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর অ্যাক্টিভিজম্’এর নানা কার্যক্রম যে বিষয়ে মহাত্মা গান্ধীকেই বুঝি বা আইডল বানিয়েছেন তিনি। ফলে প্রযুক্তি অপেক্ষা অ্যাক্টিভিজম্ই হয়ত দখল করে থাকছে ওয়াংচুকের জীবনের অধিকাংশ সময়। অ্যাক্টিভিজমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি   এসবের স্বীকৃতিও তিনি পেয়েছেন সময়ে সময়ে নানা পুরস্কারের মাধ্যমে। যথা, ২০১৬’য় ফ্রেড এম. প্যাকার্ড অ্যাওয়ার্ড ও রোলেক্স অ্যাওয়ার্ড ফর এন্টারপ্রাইজ, ২০১৭’য় গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড ফর সাসটেইনেবল আর্কিটেকচার এবং ২০১৮’য় পান রামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড। এত পুরস্কার নাগাড়ে পাওয়ার পশ্চাতে লবির জোর যে ওয়াংচুক...

Radical Forces Spreading Tentacles: Bangladesh to West Bengal to Jharkhand

https://x.com/DebjaniBhatta20/status/1867438712302313912?t=bCQER1Rg4GT6BKB1elDPAA&s=19 I heartily & humbly thank Shri Sunil Ambekar'Ji for this speech of his as heard above in the above-mentioned X post link. Radical forces never reduced in Bangladesh. For not even a day. Rather, the country methodically radicalised the youth from the very childhood in Madrassas. My studies (as little as it is) suggest the country steadily & silently conducted mass radicalisation programs. Very unfortunate but true. As a result, the general public psyche of Bangladesh habituated to brew envy against India & resultant hatred for Bharat i.e. Hindus. Sheikh Hasina tried to keep them largely subjugated by application of force time to time because she wanted Bangladesh to walk the path of sustainable development following the international regulations & guidelines. Hasina also took significant steps to keep terrorism in control in Bangladesh. However, even she had to patronize the ma...

পশ্চিমবঙ্গে ভোট প্রহসন: পশ্চিমা ডিপ স্টেটের থাবা

পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এ রাজ্যের তথা ভারতবর্ষের অন্যত্রও বহু মানুষ চূড়ান্ত হতাশ। গোটা ভারতবর্ষ যদি পারে তাহলে এ রাজ্য পারবে না কেন, এই প্রশ্নই হয়ত তাড়িয়ে ফিরছে সকলকে। অথচ 2021'এর নির্বাচনের পরে একটি ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুকে বলেছিলাম যে অন্য সব কিছু একই ভাবে চললে (i.e. every other factor remaining constant) বর্তমান শাসক দলকে ভোটে হারাতে বিজেপি কোনোদিনই পারবে না। বিজেপি এক্ষেত্রে বহু সহস্রাব্দ প্রাচীন বৈদিক তথা সনাতন ভারত সভ্যতার গরিমা উপলব্ধি করা তথা ভারতবোধ সম্পন্ন একখানি রাজনৈতিক দলের প্রতীক মাত্র। দলটি বিজেপি না হয়ে অন্য কোনো দলও হতে পারে যদি ভারতবোধ সম্পন্ন এ হেন নতুন কোনো দলের নব উত্থান হয়। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের নকশালপন্থী শাসক দলটিকে ভোটে হারিয়ে ভারতপন্থী কোনো দল পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতালাভ করতে ততদিন পারবে না যতদিন পর্যন্ত ১) নির্বাচনী পদ্ধতি ২) গণনা পদ্ধতি ও ৩) রাজ্য প্রশাসন, এই তিন-ই অপরিবর্তিত থেকে যায়। অনেকে ভাবছেন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে ক্রিমিনালদের জেলে পুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী অথবা আর্মি দিয়ে ভোট হলেই বুঝি বা ফলাফল বদলাবে। বাস্তব হল, যদি রাজ্য প্রশাসন অপর...

মমতার সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতির শিকড় দুর্নীতি ও ভ্রষ্টাচারের স্পৃহার মধ্যে

কামালগাজিতে, রাজাবাজারে কালিপুজো ভাঙচুর হয়েছে শুনে এবং ভিডিও দেখে অনেকেই ঘাবড়ে যাচ্ছেন। অথচ আজ থেকে মাত্র 20 বছর বা তার আগেও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় এমন জায়গা ছিল যেখানে মাতৃ মূর্তির সামনে নিম্নাঙ্গের পোশাক তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত কোনো কোনো লোককে। (এ হেন বাক্যটি অশ্লীল শোনালে আমি ক্ষমাপ্রার্থী কিন্তু সত্যের তো শ্লীল অশ্লীল হয় না।) তখন যখন কিছু কিছু লোক এ নিয়ে প্রমাদ গুনেছিল ও আপত্তি জানিয়েছিল, তখন সেই লোকেদেরকে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল সাম্প্রদায়িক বলে, বলা হয়েছিল তাঁরা নাকি অযথা বেশি চিন্তা করছেন যতটা করার নাকি প্রয়োজন ছিল না। অন্যদিকে, পুজো আক্রমণ করার মানসিকতা যাদের, মাতৃ মূর্তি আক্রমণ করার আগে তারা জোগাড় করে এলাকার রাজনৈতিক সমর্থন। আর এদেরকে সমর্থন দেয় যে সব রাজনৈতিক দল, সেই সব দলকে যে বিষবৎ পরিত্যাগ করাই উচিত, পশ্চিমবঙ্গের লোকেরা তা বুঝতে পারে নি টাকার লোভে। আজ তাই সময় প্রায়শ্চিত্তের। কালের রথচক্র রেয়াত করবে না কাউকেই। ২০১১'য় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতেছিলেন হিন্দুদের ভোটে।‌ মুসলমান ভোট সে বছরেও grossly রয়ে গিয়েছিল সিপিএমের কাছেই। অতঃপর ২০১৬'র নির্বাচনের আ...

শব্দ ও শ্রুতি নির্ভর ভারত সভ্যতার আতসবাজি শব্দবিহীন হতে পারে না

জয়দীপ সেনের এই পোস্টটা পাবলিক পোস্ট ছিল না, আমি অনুরোধ করি বলেই হয়ত জয়দীপ এইটি পাবলিক করেছেন যাতে শেয়ার করতে পারি।👇 https://www.facebook.com/share/p/1BKyjaGduZ/?mibextid=oFDknk আমার এ হেন অনুরোধের কারণ হল এই যে এই পোস্টে পোস্টদাতা আমাকে ট্যাগ করেছিলেন, “দেবযানী দি, এইটা পড়ে দেখতে পারো” বলে। ফলে পড়েছি এবং শ্রী সেনের সঙ্গে কমেন্টালাপও করেছি। শ্রী সেনকে তখনই বলেছিলাম যে তাঁর এই পোস্ট যদি আমি আমার নোট সহ শেয়ার করি তাহলে কড়া সমালোচনা করব, এবং তাতে যেন পোস্টদাতা কিছু মাইণ্ড না করেন। আমার মনে হয়েছিল (মনে হওয়া ভুল হতেও পারে) যে জয়দীপ সেন আমাকে এতে ট্যাগ করেছেন আমার অন্য একটি পোস্ট দেখে যার লিঙ্ক দেওয়া হল এইখানে👇 https://www.facebook.com/share/p/17pUBt1P6A/?mibextid=oFDknk দীপাবলীর আগে আতসবাজিবিরোধী এই ধরনের পোস্টগুলি আদতে প্রোপাগান্ডা পোস্ট বলে প্রতীত হয়, এবং আমার বিশ্বাস এসব দেখলে মুখ বন্ধ করে থাকার দিন আমাদের এখন ফুরিয়েছে। কিন্তু মুখ খোলার সাহস যাঁরা করবেন তাঁদের শত্রু ঘরে বাইরে উভয় স্থানেই। যেমন, উক্ত পোস্টটি করার পরেই কোনো এক সুবর্ণা ভট্টাচার্য্য (আমার ফ্রেন্ডলিস্টে নেই এ...

দীপাবলী, শব্দবাজি, শহুরে বাঙালী ও পোষ্য কুকুরের কড়চা

সেটিও ছিল কালিপুজোর কুচকুচে কালো রাত। আকাশের গায়ে বাজির ঝলকানি আর পটকার আওয়াজ নিরন্তর— কি ভাবছেন? কোনো সাহিত্যকর্ম শুরু করতে চলেছি? আদৌ নয়। যা করতে চলেছি, সাদা বাংলায় তাকে বলে ঝগড়া। অথবা ভদ্রভাবে বলা যেতে পারে বিতর্ক। তা সে ঝগড়াই হোক বা বিতর্ক, কালিপুজোর রাতে এই নিরন্তর পটকা ফাটার আওয়াজটা আমাদের থেকে কেড়ে নিতে চাইছে একদল লোক। প্রথমে তারা বলেছিল দীপাবলীতে বাজি পোড়ানো নাকি ভারতীয়দের শিখিয়েছে মুঘলরা। তারপর নিজেদের কানেই হয়ত বিষয়টা কিঞ্চিৎ বিসদৃশ ঠেকায় আরও বেশ খানিক পিছিয়ে গিয়ে প্রথম বাজি তৈরি করার কৃতিত্বটি তারা দেয় চৈনিকদের। বলে, সল্টপিটার/সল্পপেট্রে (অর্থাৎ সোরা, নাইটার জাতীয় সল্ট) নাকি প্রথম তৈরি হয়েছিল চীনে। অতএব আধুনিক আতসবাজির জনকও চীনই। ভারতে আতসবাজির চল কোনোদিন ছিল না এবং বাজি পোড়ানো হিন্দুদের কোনো রিলিজিয়নের অঙ্গও নয়। কোথায় লেখা আছে বাপু? কোন্ বইয়ে? দেখাও দেখি! বলেছিল তারা। কিন্তু হিন্দু ধর্ম কি কোনো একখানি বই মেনে চলে! আমাদের সমস্ত কৃষ্টির কথা কি কোনো একখানি বইয়ে লেখা আছে? তবে এসবের ফলে একদিক থেকে হয়েছে ভালোই। নিজেদের রিলিজিয়ন ও সংস্কৃতির দিকে ঘুরে তাকান...