পাখণ্ডী? না পাষণ্ড?
হাওড়ার পাঁচলার সভায় যে বক্তব্য রেখেছিলেন বাগেশ্বর ধাম বাবা, তার স্পষ্টীকরণ তিনি দিয়েছেন স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো’য় অনুষ্ঠিত ‘সনাতন সঙ্গম’ নামক এক সভা থেকে। অনুভূতিবিদ্ধ সাধারণ বাঙালী মানুষের প্রতিক্রিয়াকে সম্বোধন করার মাধ্যমে আচার্য্য ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী মহারাজ বুঝিয়েছেন যে তাঁর বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার আদত কারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগ। অথচ হাওড়ায় তাঁর বক্তব্য শুনে ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় নি যে তিনি ভুল কিছু বলছেন। হনুমান’জী’র এক পরম ভক্ত নিরামিষ ভোজনের কথা প্রচার করবেন এ-ই তো স্বাভাবিক! তাতে ভুল কি ছিল তা বুঝি নি, ফলে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাবাজী’র কথার বিরুদ্ধে যে ঝড় উঠেছিল তাকেও নিরর্থকই মনে হয়েছিল। তবে কিনা বঙ্গদেশ শাক্তমতের অনুসারী। মহিষাসুরমর্দিনীর মূর্তির পূজা বঙ্গদেশে চলে আসছে দশম শতাব্দীরও পূর্ব কাল থেকে এমনই মনে করেন পণ্ডিতেরা। অধ্যাপক অশোকনাথ শাস্ত্রীর মতে বাংলাদেশে প্রতিমায় দুর্গাপূজা অন্ততঃ এক সহস্র বৎসরের অধিক প্রাচীন। আবার সেই সঙ্গে এ-ও সত্য যে শাক্ত পূজার নামে নবাবী আমলে বঙ্গদেশে শুরু হয়েছিল চরম অনাচারও যা ঠেকাতে পঞ্চদশ শতাব্দীতে বঙ্গভূমিতে আবির্ভূত হয়েছিলেন নিমাই পণ...